Contest Home | আমার হংসেশ্বরী মন্দির ভ্রমণ - ডায়েরির পাতা থেকে
Entry Image
22 Aug 2025
Brief:
রাজা নৃসিংহদেব ও তাঁর পরিবারের উদ্যোগে নির্মিত মন্দিরের একবার দর্শন করলে এই ঐতিহাসিক মন্দির দীর্ঘদিন মনে গেঁথে থাকে। মন্দিরটির ১৩টি পদ্মকলি আকৃতির গম্বুজ রয়েছে, যা তন্ত্রসিদ্ধির প্রতীক। মন্দিরের পরিবেশ ভক্তি, শান্তি ও আধ্যাত্মিকতায় ভরপুর।
Approved
Content:


ভ্রমণের নেশা আমাকে সবসময় নতুন নতুন জায়গায় টেনে নিয়ে যায়। গত মাসে হুগলির বন্দর এলাকায় অবস্থিত হংসেশ্বরী মন্দির দর্শনের সুযোগ হয়েছিল, আর সেই অভিজ্ঞতা আজও মনে রয়ে গেছে। সকালে ট্রেনে করে যাত্রা শুরু, পথে জানালা দিয়ে গ্রামের সবুজ মাঠ, তালগাছ আর খালবিলের দৃশ্য মনকে এক অদ্ভুত শান্তি দিচ্ছিল।

মন্দিরে পৌঁছেই দূর থেকে নজরে এল এর অসাধারণ স্থাপত্য - ১৩টি পদ্মকলি আকৃতির গম্বুজ। সাধারণ বাংলার মন্দিরের ধাঁচের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এই মন্দির যেন প্রথম দেখাতেই এক রহস্যময় টান জাগায়। ভিতরে প্রবেশ করে ভক্তরা দেবী হংসেশ্বরীর সামনে মাথা নত করছেন, শাঁখের শব্দ আর ধূপের গন্ধে পরিবেশ আরও পবিত্র হয়ে উঠেছিল। আমি কিছুক্ষণ নিঃশব্দে বসেছিলাম, মনে হচ্ছিল চারপাশের কোলাহল কোথাও হারিয়ে গেছে।

মন্দিরের ইতিহাস শুনতে শুনতেও বিস্ময় লেগেছিল। জানা গেল, রাজা নৃসিংহদেব ও তাঁর পরিবার তন্ত্রসিদ্ধির প্রতীক হিসেবে এই মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। মানুষের শরীরে অসংখ্য স্নায়ুপথের প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা নকশায় করা হয়েছে; ভাবতেই অবাক লাগছিল।

সন্ধ্যায় ঘন্টাধ্বনি আর ভক্তিগানের সুরে মন্দির নতুন করে প্রাণ পেল। আলো-আঁধারির মাঝে নদীর হাওয়া, ভক্তদের ভিড় আর আধ্যাত্মিক পরিবেশ একসাথে মিলেমিশে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা এনে দিল। ভ্রমণ শেষে মনে হয়েছিল, আমি শুধু একটি মন্দির নয়, বাংলার ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের গভীর শিকড়ে এক ঝলক দেখে এলাম।


Critics Section
Subscribe to Writing Contest
Group Chat

No chat available for this WritingContestEntry yet.

Login to Chat
Contest Info
  • Contest Name: আগস্ট রাইটিং কনটেস্ট ২০২৫
  • Created by: Raju Das
  • Allowed Entries: 1
  • Start: 19 Aug 2025
  • Entry Close: 25 Aug 2025
  • Vote Close: 30 Aug 2025
  • Min Words: 100
  • Max Words: 1500
Sayzz Posts (Group)
Public Group - Express Feelings...
Join