শুনতে কি চাও তুমি সেই অদ্ভুত বেসুরো সুর?
ফিরে পেতে চাও কি সেই আনচান-করা দুপুর?
দেখতে কি চাও তুমি সেই খেলনাওলাটাকে?
তার খেলনার দোতারা সে বাজাচ্ছে কবে থেকে।
স্কুলের টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে কেনা
সেই অদ্ভুত ফাঁটা বাঁশ আর মাটির সুর টানা টানা।
দু-দিনের সম্পদ দু-টাকার বাজনার বিস্ময়।
তারপর কখন হঠাৎ সুখের মানে পাল্টে যায়।
তারপর টিফিনে পয়সা দিয়ে সিগারেট,
কলেজ কেটে সিনেমায় বান্ধবীর সাথে কাটলেট।
আসে দশটা-পাঁচটা, সেই এক রুটের বাসটা তারপর,
সবার মতই পরতে হয় যে কাগজের টোপর।
এখন মাসের শেষে মাঝে মধ্যে কান্না পায়,
মিনিবাসে দাঁড়িয়ে অফিস যাওয়ার সময়।
এখন বুঝেছি সেই অদ্ভুত সুরের কী মানে?
ফিরে তো যাওয়া যায় না যে আর সেখানে।
যেতে হবে যে তোমাকে আমাকে চলে,
লুকোনো টেক্কা, সংসারের এক্কাদোক্কা ফেলে।
প্রথমে যাবে ঘরদোর, দোকানপাট, তারপর হৃদয়,
কিছুই হলো না, বাজানো গেল না সময়।
ইদানীং সে সুরটা শুনতে যে খুব ইচ্ছে হয়,
কিন্তু সে খেলনাওলা আর আসে না পাড়ায়।
হয়ত কোনো অন্য অলিগলি ঘুরে,
অন্য কোনো কাউকে টানছে সে অদ্ভুত সুরে।
অন্য কোনো কাউকে টানছে সে অদ্ভুত সুরে।
শুনতে কি চাও তুমি সেই অদ্ভুত বেসুরো সুর?
ফিরে পেতে চাও কি সেই আনচান-করা দুপুর?
দেখতে কি চাও তুমি সেই খেলনাওলাটাকে?
তার খেলনার দোতারা সে বাজাচ্ছে কবে থেকে।
তার খেলনার দোতারা সে বাজাচ্ছে কবে থেকে।
তার খেলনার দোতারা সে বাজাচ্ছে কবে থেকে।