আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঘুম থেকে উঠেই অনেকের প্রথম কাজ ফোন হাতে নেওয়া। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব বা এক্স এ একের পর এক পোস্ট, ভিডিও আর খবর দেখতে দেখতে কখন যে অনেকটা সময় কেটে যায়, তা বুঝতেই পারি না। এই অভ্যাসকেই বলা হয় ডুম স্ক্রলিং।
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই বন্ধু, আত্মীয় বা দূরে থাকা পরিচিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি। কিন্তু একটা প্রশ্ন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে--
এত সংযোগের মধ্যেও কেন অনেক মানুষ নিজেকে একা অনুভব করছে?
ডুম স্ক্রলিং বলতে বোঝায়, একের পর এক পোস্ট বা খবর দেখে যাওয়া, যদিও সেগুলো আমাদের ভালো লাগছে না বা কোনো কাজে লাগছে না। অনেক সময় নেতিবাচক খবর, দুর্ঘটনা, বিতর্ক বা উদ্বেগ বাড়ায় এমন বিষয় বারবার দেখতে দেখতে মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি দেখা যায়। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যেতে পারে, ঘুমের সমস্যা হতে পারে, এমনকি অকারণ উদ্বেগও বাড়তে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ার বড় একটি সমস্যা হলো তুলনা করার প্রবণতা।
আমরা সেখানে সাধারণত মানুষের জীবনের সেরা মুহূর্তগুলোই দেখি। ভ্রমণ, সাফল্য, সুন্দর ছবি বা আনন্দের সময়। কিন্তু সেই ছবির আড়ালে থাকা বাস্তব সমস্যাগুলো দেখতে পাই না।
ফলে অনেকের মনে হয়—
এই ধরনের চিন্তা ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কারও হাজার হাজার বন্ধু বা ফলোয়ার থাকতে পারে। কিন্তু প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর মতো সত্যিকারের বন্ধু কতজন?
একটি লাইক বা কমেন্ট ভালো লাগা তৈরি করতে পারে, কিন্তু তা কখনোই বাস্তব সম্পর্কের বিকল্প নয়। মুখোমুখি কথা বলা, একসঙ্গে সময় কাটানো বা মনের কথা ভাগ করে নেওয়ার যে মূল্য, তা ভার্চুয়াল যোগাযোগে সবসময় পাওয়া যায় না।
এ কারণেই অনেক মানুষ অনলাইনে সক্রিয় থেকেও বাস্তবে নিঃসঙ্গ বোধ করে।
সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সব সময় অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনকে তুলনা করলে হতাশা, উদ্বেগ ও আত্মসম্মানবোধের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার সময় নিজের সীমা জানা এবং প্রয়োজনে বিরতি নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একেবারেই নয়।
সোশ্যাল মিডিয়ার অনেক ভালো দিকও রয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা নতুন কিছু শিখতে পারি, নিজের প্রতিভা প্রকাশ করতে পারি, গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে পারি এবং দূরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি।
সমস্যা তখনই হয়, যখন এর ব্যবহার আমাদের বাস্তব জীবন, পড়াশোনা, ঘুম বা সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে।
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের যোগাযোগের নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। কিন্তু শুধু অনলাইন সংযোগ থাকলেই প্রকৃত সম্পর্ক তৈরি হয় না। বাস্তব জীবনের বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং মুখোমুখি কথোপকথনের গুরুত্ব এখনও অপরিসীম।
তাই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করতে হবে সচেতনভাবে। মনে রাখতে হবে, ফোনের পর্দার বাইরেও একটি বাস্তব পৃথিবী আছে, যেখানে সত্যিকারের সম্পর্ক এবং মানবিক সংযোগের মূল্য সবচেয়ে বেশি।
For years, the default expectation after Class 12, especially for science students has been simple: clear JEE for engineering or clear NEET for medicine. If you didn't fit into those two boxes, it often felt like you were out of options. How to Choose the Right Path.
That narrative is completely outdated. Read More
What if the world's largest river wasn't on the ground?
When people think of the Amazon, they imagine a vast jungle filled with exotic wildlife, giant trees, and the mighty Amazon River. But scientists have discovered something even more astonishing hidden above the forest. A massive invisible rivers flowing through the sky. Read More
বৃক্ষছায়ায় জ্ঞানের আলোকবর্তিকা: প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষা দর্শনের গূঢ়তত্ত্ব Read More
A brief overview of the village where Batukeshwar Dutt was born, its historical significance and how to visit. Read More
অনেক বছর ধরে প্রচলিত একটি ধারণা মানুষ তার মস্তিষ্কের মাত্র ১০% ব্যবহার করে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল। আমরা আসলে আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় সব অংশই ব্যবহার করি, শুধু একসঙ্গে নয়। প্রতিটি অঞ্চল নির্দিষ্ট কাজের জন্য দায়ী, কোনো অংশ ভাষা বোঝে, কোনো অংশ পরিকল্পনা করে, আবার অন্য অংশ আবেগ বা চলাফেরার নিয়ন্ত্রণে থাকে। Read More