আমাদের সৌরজগত একটি বিশাল মহাজাগতিক পরিবার। সূর্যকে কেন্দ্র করে অসংখ্য গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু ঘুরছে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু বস্তু আসে, যেগুলি একেবারেই আমাদের সৌরজগত পরিবারের সদস্য নয়। তারা আসে দূর, অজানা কোনো নক্ষত্রমণ্ডল থেকে। এমনই এক রহস্যময় আগন্তুক হলো ৩আই/অ্যাটলাস (3I/ATLAS)। এটি মানবজাতির আবিষ্কৃত তৃতীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু।
২০২৫ সালের ১লা জুলাই, হাওয়াইয়ের ATLAS (Asteroid Terrestrial-impact Last Alert System) নামের টেলিস্কোপ এই বস্তুটিকে প্রথম শনাক্ত করে। প্রথমে এটিকে একটি সাধারণ ধূমকেতু ভেবে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তী কক্ষপথ বিশ্লেষণে দেখা যায় এটি সূর্যের মহাকর্ষে বাঁধা নয় - অর্থাৎ এটি হাইপারবোলিক কক্ষপথে চলছে, যা প্রমাণ করে এটি সৌরজগতের বাইরে থেকে আসছে।
এই নামের “৩আই” অংশটি আসে "Third Interstellar Object" থেকে। এর আগে দেখা হয়েছে — ১আই/ওউমুয়ামুয়া (1I/ʻOumuamua, 2017) এবং ২আই/বরিসভ (2I/Borisov, 2019)। ৩আই/অ্যাটলাস হলো এই ধারার তৃতীয় সদস্য।
৩আই/অ্যাটলাস বর্তমানে সূর্যের দিকে এগিয়ে আসছে। এটি ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর এ সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি স্থানে পৌঁছাবে, যদিও সেটি প্রায় ১.৪ AU দূরত্বে। পৃথিবী থেকে সবচেয়ে কাছের দূরত্ব হবে প্রায় ১.৮ AU, তাই এটি আমাদের জন্য কোনো ঝুঁকি নয়। [১ AU (অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট) মানে হলো পৃথিবী আর সূর্যের গড় দূরত্ব।]
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ও অন্যান্য পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ৩আই/অ্যাটলাসের গ্যাসীয় আবরণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO₂) এর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে প্রচুর। অনুমান করা হয় CO₂ ও H₂O অনুপাত প্রায় ৮:১। এটি ইঙ্গিত দেয় যে এটি এমন এক অঞ্চল থেকে এসেছে যেখানে তাপমাত্রা ও পরিবেশ ভিন্ন ছিল।
এর সঠিক আকার এখনো অনিশ্চিত। প্রাথমিক অনুমানে এর ব্যাস কয়েক কিলোমিটার হতে পারে। কিছু গবেষক অনুমান করেছেন এর ভর অনেক বড় - এমনকি কয়েক বিলিয়ন টন পর্যন্ত হতে পারে। যা এটির গতি ও আচার-ব্যবহারকে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।
এটি তৃতীয় আন্তঃনাক্ষত্রিক বস্তু যা আমরা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছি।
এর রাসায়নিক গঠন সৌরজগতের ধূমকেতুদের তুলনায় ভিন্ন।
এটি মহাবিশ্বের অন্য প্রান্তের পরিস্থিতি বোঝার একটি মূল্যবান সুযোগ উন্মোচন করে।
এটি খালি চোখে দেখা যাবে না। তবে বড় টেলিস্কোপ ও অনলাইন পর্যবেক্ষণ মাধ্যমে গবেষকরা এটি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
৩আই/অ্যাটলাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় মহাবিশ্ব কতো রহস্যে ভরা একটি স্থান। আমাদের সৌরজগত কেবল এক ক্ষুদ্র বিন্দু; এখনও অনেক কিছু শেখার বাকি আছে।
For years, the default expectation after Class 12, especially for science students has been simple: clear JEE for engineering or clear NEET for medicine. If you didn't fit into those two boxes, it often felt like you were out of options. How to Choose the Right Path.
That narrative is completely outdated. Read More
What if the world's largest river wasn't on the ground?
When people think of the Amazon, they imagine a vast jungle filled with exotic wildlife, giant trees, and the mighty Amazon River. But scientists have discovered something even more astonishing hidden above the forest. A massive invisible rivers flowing through the sky. Read More
বৃক্ষছায়ায় জ্ঞানের আলোকবর্তিকা: প্রাচীন ভারতীয় শিক্ষা দর্শনের গূঢ়তত্ত্ব Read More
A brief overview of the village where Batukeshwar Dutt was born, its historical significance and how to visit. Read More
অনেক বছর ধরে প্রচলিত একটি ধারণা মানুষ তার মস্তিষ্কের মাত্র ১০% ব্যবহার করে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল। আমরা আসলে আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় সব অংশই ব্যবহার করি, শুধু একসঙ্গে নয়। প্রতিটি অঞ্চল নির্দিষ্ট কাজের জন্য দায়ী, কোনো অংশ ভাষা বোঝে, কোনো অংশ পরিকল্পনা করে, আবার অন্য অংশ আবেগ বা চলাফেরার নিয়ন্ত্রণে থাকে। Read More